শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নে পাতাখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে হামলা ও ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬ টায় পাতাখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কোয়ার্টারে পাতাখালি বাসিন্দা বিল্লাল হোসেনের ছেলে মোঃ হানিফ ও তার দলবল নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককের বাসায় হামলা চারায় ঐ কোয়ার্টারে ঢুকে প্রধান শিক্ষক কে খোঁজ করে না পেয়ে স্ত্রীকে পায়।

তাদের পথে স্যারের স্ত্রী দরজা লাগিয়ে দেয় দরজার সামনে দাঁড়িয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এক পর্যায় ঘরের দরজায় ভেঙে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে। ঘরের ভিতরে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে স্যারের স্ত্রী ভয়ে রুম থেকে রাস্তার উপরে চলে আসে। চিৎকার করে গ্রামবাসীকে

জানাই পরে গ্রামবাসীরা সকলেই গিয়ে ওই হানিফকে ধরে।পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষক খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখতে পায় ঘরের ভিতরে আলমারিতে ও ড্রয়ার কাগজপত্র এলোমেলো বিদ্যালয়ের বিশেষ কাগজপত্র খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই ঘটনায় অত্র এলাকার মানুষ আতঙ্কিত এবং সকলের একটাই দাবী এই হানিফকে ধরে এর পিছনে কারা আছে তাদেরকে খুঁজে বের করার জন্য প্রশাসনের

কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমাদেরকে জানান আমার কাছে বেশ কিছুদিন ধরে অনেক নাম্বার থেকে ফোন আসে এবং চাদা টাই তাদের পরিচয় কেউই বলেনা হঠাৎ মঙ্গলবার আমার বাসায় এসে আমাকে না পেয়ে আমার স্ত্রীর সাথে খারাপ আচরণ করে এবং আমার ঘরের ভিতরে ঢুকিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আলমারির ড্রয়ার থেকে ৫০০০ টাকা নিয়ে যায়। এ বিষয়ে শ্যামনগর থানায় অভিযোগ করলে গভীর রাতে এসআই মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও তার সহযোগীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। প্রধান শিক্ষকের কাছে জিজ্ঞাসা বাদ করে, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ নিরাপত্তা

দেওয়ার জন্য ওই বিদ্যালয়ে অবস্থান করে। পরে শ্যামনগর থানায় লিখিত ভাবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অভিযোগ করেন। অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে ও অত্র বিদ্যালয় আশেপাশে এবং অত্র গ্রামবাসীর ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।