মোঃ নুরুজ্জামান, সম্পাদক নীলাকাশ টুডেঃ বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দূর্নীতি নির্মূলে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সেই সাথে দেশের উন্নয়নে চলমান কাজগুলো এগিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এর পরও দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা দালালদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সেবার বিনিময়ে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করে যাচ্ছেন। দুই একজন ধরা পড়লেও অধরা রয়েছে যাচ্ছেন বহু দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারী সহ দূর্নীতির সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এদের বিরুদ্ধে জোরালো কোন অভিযোগ পাওয়া যায় না। আর অভিযোগ পেলেও তাৎক্ষণিক ভাবে তেমন কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না। আমি সাংবাদিক হওয়ার পরে আমার নিজস্ব একটি ডায়লগ ভাইরাল হয়েছে

“ঘটনা সত্যি, সাক্ষী দূর্বল”। বাস্তবেও অনেকটা মিল পাচ্ছি। দূর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলে তাদের পক্ষে উচ্চ পযার্য়ের দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা, দূর্নীতিবাজ জনপ্রতিনিধি, দূর্নীতিবাজ রাজনৈতিক নেতা, দূর্নীতিবাজ সাংবাদিকরাও অবস্থান নিয়ে থাকেন। এছাড়া দূর্নীতির বিরুদ্ধে যারা কথা বলেন তাদের বিরুদ্ধে গুন্ডাপান্ডা লেলিয়ে দিয়ে হুমকি দেওয়া শুরু করে থাকেন দূর্নীতির সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা। এর ফলে দূর্নীতি নির্মূল কি ভাবে সম্ভব সেই প্রশ্ন সচেতন মহলের। দূর্নীতির মাধ্যমে অনেকেই আঙুল ফুলে কলা গাছ হয়েছেন। টিনের ঘর থেকে যাত্রা শুরু করে বহুতল ভবনের মালিক বনে গেছেন। অল্প কিছু আয় থাকলেও কোটি টাকার মার্কেটও করেছেন কেউ কেউ। সে সকল সাংবাদিকরা এসব দূর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে মুখ খুলছে সেই সব সাংবাদিকেরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। এর পরও দূর্নীতিবাজদের তেমন কিছু হচ্ছে বলে মনে হয় না। প্রত্যেক অফিসে ঢোকার আগে চোঁখে পড়ে আমি ও আমার অফিস দূর্নীতি মুক্ত। বাস্তবে এসব

অফিসগুলো দূর্নীতি যুক্ত। ভুক্তভোগীরা বলছে, ঘুষ না দিলে ফাইল আটকে যায় যার ফলে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ঘুষ দেওয়া লাগে। দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারীদের চেয়ারের ঘুটি পদ্মা সেতুর পিলারের চেয়েও শক্তিশালি এমনই মনে করে দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারীরা। কিন্তু সরকার চাইলে দেশ থেকে দূর্নীতি মুক্ত করা সম্ভব বলে মনে করে সাধারণ মানুষ। সাধারণ মানুষের দাবি দূর্নীতি প্রমাণ হলে সাথে সাথে চাকরিচ্যুত করা, না হলে কেয়ামতের আগেও দূর্নীতি মুক্ত হওয়ার সম্ভবনা নেই। লেখক, মোঃ নুরুজ্জামান, সম্পাদক নীলাকাশ টুডে